KOLKATAR DEBALAY ITIHAS O JANOSHRUTI | কলকাতার দেবালয় ইতিহাস ও জনশ্রুতি
Author
মহানগরী কলকাতার প্রতিটি অলি গলিতে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দেবালয়। এদের মধ্যে অনেকই সেই জল জঙ্গল ঘেরা সুতানুটি, গোবিন্দপুর আর কলকাতার সমকালীন।
কলকাতার সাংস্কৃতিক ইতিহাস চর্চার সঙ্গে যাদের ভূমিকা অপরিসীম। উনিশ শতক থেকে এইসব দেবালয়ের ওপর আলোকপাত করার চেষ্টা করেছেন অনেক পণ্ডিত- গবেষক। সেই ধারা আজ ও সমানভাবে অব্যাহত। বর্তমান বইটিতে চেনা অচেনা পঁয়ত্রিশটি দেবালয়ের ইতিহাসকে নতুন ভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছেন লেখক।
Out of Stock
Specifications
| Binding | Hard Bound |
| ISBN | 978-81-948715-4-5 |
| Publishing Year | 2022 |
| Pages | 124 |
কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণ যেমন ডোমপাড়া, মালোপাড়া, জেলেপাড়া, তাঁতিপাড়া এমন সব নাম থেকে এখানকার নানা বৃত্তিজীবিদের কথা প্রমাণিত হয়। সুপ্রাচীনকাল থেকেই এঁরা এই মহানগরীর আদিবাসিন্দা। এঁদের আরাধ্য লোকদেবতার মন্দির রয়ে গেছে সেইসব অঞ্চলে। যদিও পরবর্তী সময়ে এসব অঞ্চলের নতুন নামকরণ হয়েছে। বৌবাজারের চাঁপাতলার মা শীতলা বা তালতলার ধর্ম ঠাকুর সেই ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
স্থাপত্য বা বিগ্ৰহের সঙ্গে সঙ্গে এইসব মন্দিরের পুজোপদ্ধতির একটা আলোচনার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইটিতে। ছাতুবাবুর বাজারের বসাকালীর কালীপুজোয় অন্যতম প্রধান ভোগ যেমন শোলমাছ তেমনি গোকুল বড়াল স্ট্রিটের জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় হয় এলাহি ভোগের আয়োজন। ধর পরিবারে হয় সাতদিনের জগন্নাথ দেবের বিভিন্ন বেশ আর উল্টোরথে জগন্নাথদেবের সঙ্গে মা লক্ষ্মীর মিলনের অপূর্ব অনুষ্ঠান। রাজবল্লভ পাড়ার বলাইচাঁদের প্রতিদিন রাতের ভোগে থাকে রুটি তরকারি। চৈত্র মাসে হয় তাঁর রাস উৎসব।
মোট পঁয়ত্রিশটি মন্দিরের আলোচনা রয়েছে এই বইটিতে। এর মধ্যে যেমন বহু পরিচিত মন্দিরের কথা এসেছে তেমন এসেছে তুলনায় কম আলোচিত বা লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা সিমলার বড়ো মহাপ্রভু ,ছোট মহাপ্রভু বা কাত্যায়ণী ধামের মতো পারিবারিক মন্দির।
Reviews and Ratings
No Customer Reviews
Share your thoughts with other customers







